• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শেষ চিঠির ওপারে – নাজনীন শামীম (পর্ব ১৩)

বাংলার কথা ডেস্ক / ৫৯ বার পঠিত
আপডেটঃ সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

 

একটা মুখ আয়নায় দেখা গেল—মেহরীনের নিজের মুখ।
কিন্তু সেই চোখে ছিল এমন এক আতঙ্ক, যা মেহরীন কখনো নিজের চোখে দেখেনি।
ঘড়িতে ২টা ১৭ বাজতেই আয়নার ভেতরের মেয়েটি ধীরে ধীরে হাত তুলল।
তার আঙুল গিয়ে থামল আয়নার এক কোণে।
মেহরীন তাকিয়ে দেখল—
কাঁচের ওপর ভেসে উঠেছে একটি সংখ্যা।
০৩
মেহরীন পিছিয়ে গেল।
ঠিক তখনই আয়নাটা হঠাৎ অন্ধকার হয়ে গেল।
ঘরের আলো নিভে গেল।
কয়েক সেকেন্ড পর আলো ফিরতেই আয়নার সামনে কেউ নেই।
কিন্তু মেঝেতে পড়ে আছে একটি ছোট কাগজ।
মেহরীন তুলে নিল।
তার নিজের হাতের লেখায় লেখা—
“মায়াকে বিশ্বাস করো না।”
মেহরীনের বুক কেঁপে উঠল।
মায়া?
যে মায়াকে নিয়ে এতক্ষণ রহস্য তৈরি হচ্ছে, সে কি সত্যিই কিছু লুকাচ্ছে?
ঠিক তখন মায়ার ফোন এল।
মেহরীন কল ধরল।
—মায়া, তুমি কি আমার সঙ্গে কিছু লুকাচ্ছ?
ওপাশে দীর্ঘ নীরবতা।
তারপর মায়া বলল—
—তুমি আয়নায় কী দেখেছ?
মেহরীনের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।
—তুমি জানলে কীভাবে?
মায়ার কণ্ঠ এবার কেঁপে উঠল।
—কারণ পাঁচ বছর আগে ঠিক রাত ২টা ১৭ মিনিটে তুমিও একই জিনিস দেখেছিলে।
—আমি কী দেখেছিলাম?
মায়া উত্তর দিল না।
মেহরীন চাপা গলায় বলল—
—মায়া, সত্যিটা বলো।
ওপাশ থেকে খুব আস্তে উত্তর এল—
—তুমি নিজের মুখ দেখোনি, মেহরীন। তুমি দেখেছিলে সেই মেয়েটাকে, যে তোমার জায়গা নিয়েছিল।
কল কেটে গেল।
মেহরীন স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর ধীরে ধীরে ফাইলটা আবার খুলল।
শেষ পাতায় এতক্ষণ যে অংশটা চোখে পড়েনি, সেখানে লেখা—
“Patient M — Transfer successful.”
তার নিচে আরেকটি নাম।
“Subject M-2.”
মেহরীনের বুকের ভেতরটা হঠাৎ কেঁপে উঠল।
কারণ—
M-2-এর ছবিটা ছিল তারই।
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন