শেষ চিঠির ওপারে — পর্ব ১৫ একই মুখের দুজন মানুষ হতে পারে না— তবু মেহরীনের সামনে প্রমাণ বলছে, পাঁচ বছর আগে তার জায়গায় অন্য কেউ ছিল। মেহরীন ছবিটা হাতে নিয়ে ... বিস্তারিত
Writing যে কণ্ঠটাকে মেহরীন চিনতে পারছে না, সেটাই হয়তো তার সবচেয়ে পুরোনো পরিচয়ের দরজা খুলতে এসেছে। মেহরীনের হাত তখনও দরজার হাতলে। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা আবার বলল— —দরজা খোলো। ভয়
“যে হাসপাতালের পোশাকে মেহরীনের নাম লেখা, সেখানে তার ভর্তি হওয়ার কোনো স্মৃতি নেই। তাহলে পাঁচ বছর আগে সেই পোশাকটি পরেছিল কে—মেহরীন, নাকি তার এমন কোনো পরিচয়, যার কথা তাকে জানতে
“যে হাসপাতালের পোশাকে মেহরীনের নাম লেখা, সেখানে তার ভর্তি হওয়ার কোনো স্মৃতি নেই। তাহলে পাঁচ বছর আগে সেই পোশাকটি পরেছিল কে—মেহরীন, নাকি তার এমন কোনো পরিচয়, যার কথা তাকে জানতে
তুমি আমাকে দুঃখ-বেদনা দিও না, তোমার দেওয়া বেদনা আমি সইতে পারি না। তুমি আমার থেকে দূরে থেকো না, তোমার বিরহে হৃদয়ের বোঝা ভারী হয়— তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না। বন্ধু,
“দরজার ওপাশে যে মায়া দাঁড়িয়ে ছিল, সে যদি সত্যিই মায়া না হয়—তাহলে আসল মায়া কোথায়? আর অন্ধকার ঘরে মেহরীনের নিজের কণ্ঠে যে সতর্কবার্তা শোনা গেল, সেটি কে রেকর্ড করেছিল?” পর্ব
আকাশটা সেদিন অদ্ভুত ধূসর ছিল। ঢাকার রাস্তাগুলোতে মানুষের ভিড় থাকলেও সেই ভিড়ে আর আগের মতো প্রাণ নেই। সবাই ক্লান্ত, অবসন্ন, ক্ষুধার্ত। দোকানের সামনে লম্বা লাইন—কেউ এক মুঠো চালের জন্য দাঁড়িয়ে
মাদকের বিষাক্ত ছোবল এবং আমাদের থমকে যাওয়া ভবিষ্যৎ — জামিনুর ইসলাম একটি সমাজ কতটা সুস্থ ও প্রাণবন্ত, তা নির্ভর করে তার তরুণ প্রজন্মের গতিশীলতার ওপর। কিন্তু বর্তমান সমাজে মাদকের ভয়াবহ