• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

গল্পঃ শেষ চিঠির ওপারে। লেখিকাঃ নাজনীন শামীম। দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৪১ বার পঠিত
আপডেটঃ রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

শেষ চিঠির ওপারে
নাজনীন শামীম
পর্ব৷ ১২

দরজার হাতল ঘুরছে—কিন্তু ওপাশে যে আছে, সে কি সত্যিই একজন মানুষ?
নাকি মেহরীনের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির কোনো অংশ ফিরে এসেছে তার কাছে?
মেহরীন নিঃশ্বাস বন্ধ করে দরজার দিকে তাকিয়ে রইল।
হাতলটা থেমে গেল।
কয়েক সেকেন্ড কোনো শব্দ নেই।
তারপর—
টক।
দরজায় মাত্র একবার শব্দ হলো।
মেহরীন সাহস করে বলল,
—কে?
ওপাশ থেকে কোনো উত্তর এল না।
সে ধীরে ধীরে দরজার কাছে গিয়ে পিপহোল দিয়ে তাকাল।
করিডোর ফাঁকা।
কেউ নেই।
মেহরীন দরজা খুলতেই মেঝেতে একটা ছোট খাম দেখতে পেল।
খামের ওপর তার নাম।
মেহরীনের জন্য।
সে খামটা খুলল।
ভেতরে একটি মাত্র কাগজ।
“আজ রাত ২টা ১৭ মিনিটে আয়নার সামনে দাঁড়াবে না।”
মেহরীনের বুক কেঁপে উঠল।
কারণ ঠিক তখনই তার চোখ চলে গেল ঘরের আয়নার দিকে।
আয়নার সামনে সে দাঁড়িয়ে নেই।
তবু—
আয়নার ভেতরে একজন দাঁড়িয়ে আছে।
মেহরীন স্থির হয়ে গেল।
মেয়েটার পোশাক হাসপাতালের।
মুখটা দেখা যাচ্ছে না।
তার হাতে একটা ফাইল।
মেহরীন ধীরে এক পা পিছিয়ে গেল।
আয়নার ভেতরের মেয়েটিও নড়ল না।
হঠাৎ ফাইলটা মেঝেতে পড়ে গেল।
মেহরীন চোখ বন্ধ করে আবার খুলল।
আয়না স্বাভাবিক।
কেউ নেই।
শুধু ফাইলটা এবার সত্যিই তার ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে।
মেহরীন কাঁপা হাতে ফাইলটা খুলল।
প্রথম পাতায় লেখা—
Patient M
তার নিচে একটি তারিখ।
১৭ জুলাই।
আর একেবারে নিচে—
“Memory Transfer: অসম্পূর্ণ।”
মেহরীনের বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল।
ঠিক তখন ফোনে মেসেজ এল—
“তুমি আয়নাটা দেখেছ।”
মেহরীন কাঁপা হাতে লিখল—
“তুমি কে?”
কয়েক সেকেন্ড পর উত্তর এল—
“আমি সেই মানুষ, যে জানে ১৭ জুলাই রাতে তুমি কাকে বাঁচিয়েছিলে।”
মেহরীনের চোখ স্থির হয়ে গেল।
আরেকটি মেসেজ এল—
“কিন্তু তুমি এখনও জানো না—কাকে মরে যেতে দিয়েছিলে।”
মেহরীনের হাত থেকে ফোনটা পড়ে গেল।
ঘড়ির কাঁটা তখন—
২টা ১৬ মিনিট।
আর আয়নার ভেতর—
আবার সেই মেয়েটি দাঁড়িয়ে।
এবার তার মুখ দেখা যাচ্ছে।
মেহরীন নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে জমে গেল।
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন