• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

যে হাসপাতালের পোশাকে মেহরীনের নাম লেখা, সেখানে তার ভর্তি হওয়ার কোনো স্মৃতি নেই। তাহলে পাঁচ বছর আগে সেই পোশাকটি পরেছিল কে—মেহরীন, নাকি তার এমন কোনো পরিচয়, যার কথা তাকে জানতে দেওয়া হয়নি?” দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৬৫ বার পঠিত
আপডেটঃ শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

“যে হাসপাতালের পোশাকে মেহরীনের নাম লেখা, সেখানে তার ভর্তি হওয়ার কোনো স্মৃতি নেই।
তাহলে পাঁচ বছর আগে সেই পোশাকটি পরেছিল কে—মেহরীন, নাকি তার এমন কোনো পরিচয়, যার কথা তাকে জানতে দেওয়া হয়নি?”

পর্ব ১০

মেহরীন পোশাকটা হাতে নিল।

পকেটের ভেতর কিছু একটা শক্ত জিনিস।

একটা ছোট ধাতব টোকেন।

গায়ে খোদাই করা—

০৩

তার নিচে আরও একটি অক্ষর—

M

মেহরীনের বুকটা কেঁপে উঠল।

ঠিক তখন ফোনে একটা ছবি এল।

পুরোনো হাসপাতালের করিডোর।

দেয়ালে ঘড়ি।

সময়—

২টা ১৭ মিনিট।

ছবির একেবারে শেষে দাঁড়িয়ে আছে একজন নারী।

মুখ দেখা যাচ্ছে না।

কিন্তু তার পরনে একই হাসপাতালের পোশাক।

মেহরীন ছবিটা বড় করল।

নারীর হাতে একটা ফাইল।

ফাইলের ওপর লেখা—

“Patient M — Memory Transfer.”

মেহরীনের আঙুল থেমে গেল।

—Memory Transfer?

সে শব্দটার অর্থ জানে।

কিন্তু হাসপাতালের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী?

হঠাৎ ছবির নিচে নতুন একটি মেসেজ ফুটে উঠল—

“তোমার স্মৃতি হারায়নি, মেহরীন।
তোমার কাছ থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে।”

মেহরীনের বুকের ভেতরটা ভারী হয়ে গেল।

সে দ্রুত লিখল—

“কে সরিয়েছে?”

উত্তর এল মাত্র একটি শব্দে—

“তুমি।”

মেহরীন স্থির হয়ে গেল।

তারপর আরেকটি মেসেজ—

“মায়াকে খুঁজে পেলে জিজ্ঞেস কোরো—সেদিন রাতে সে কাকে মেরেছিল?”

মেহরীনের চোখ স্থির হয়ে গেল।

মায়া?

খুন?

কাকে?

ঠিক তখনই তার ফোনে অচেনা নম্বর থেকে একটি কল এল।

মেহরীন রিসিভ করতেই ওপাশে কোনো কণ্ঠ নেই।

শুধু দূর থেকে ভেসে আসছে হাসপাতালের মনিটরের শব্দ—

বিপ… বিপ… বিপ…

তারপর খুব আস্তে একজন ফিসফিস করে বলল—

“মেহরীন, তুমি যে মানুষটাকে খুঁজছ… সে তোমার সামনে নয়। সে তোমার ভেতরে।”

কল কেটে গেল।

মেহরীন আয়নার দিকে তাকাল।

তার প্রতিবিম্বও তাকিয়ে আছে।

কিন্তু এবার—

প্রতিবিম্বটা চোখের পলক ফেলল না।

চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন