• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শেষ চিঠির ওপারে। লেখিকাঃ নাজনীন শামীম আব — পর্ব ১৮। দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৩১ বার পঠিত
আপডেটঃ শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেষ চিঠির ওপারে
নাজনীন শামীম আব — পর্ব ১৮

একই রাতে একই জায়গায়—মেহরীন নিজেকেই দেখেছিল।
তাহলে পাঁচ বছর আগে হাসপাতালের করিডোরে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি আসলে কে ছিল?
মেহরীনের 4টমাথার ভেতর দৃশ্যটা বারবার ফিরে আসছিল।
দরজা।
ঘড়িতে ২টা ১৭।
মায়ার আতঙ্কিত মুখ।
আর তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজন মেহরীন।
সে চোখ বন্ধ করল।
—আমি ওকে দেখেছিলাম…
মায়া ধীরে বলল—
—হ্যাঁ।
—কিন্তু ও কে?
মায়া উত্তর দিল না।
আরিয়ান বলল—
—M-2।
মেহরীন তার দিকে তাকাল।
—তাহলে সে শুধু আমার স্মৃতি বহন করছে না?
—না।
—তাহলে?
আরিয়ান নিচু গলায় বলল—
—সে তোমার কিছু সিদ্ধান্তও জানে।
মেহরীনের বুক কেঁপে উঠল।
—কী সিদ্ধান্ত?
মায়া এবার সামনে এসে দাঁড়াল।
—সেদিন রাতে তুমি একজনকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চেয়েছিলে।
—কাকে?
মায়া বলল—
—যে মানুষটা তোমার ভাইয়ের পরিচয় ব্যবহার করছিল।
মেহরীন থমকে গেল।
—আমার ভাইয়ের পরিচয়?
ঠিক তখন তার ফোনে একটি ছবি এল।
ছবিতে M-2 দাঁড়িয়ে আছে হাসপাতালের সেই ০৩ নম্বর কক্ষের সামনে।
তার হাতে একটি চিঠি।
মেহরীন ছবিটা বড় করল।
চিঠির ওপর লেখা—
“মূল মেহরীনকে সত্যিটা জানানো যাবে না।”
তার নিচে একটি স্বাক্ষর।
মেহরীন স্বাক্ষরটা দেখেই নিঃশ্বাস বন্ধ করে ফেলল।
মায়া।
সে ধীরে মায়ার দিকে তাকাল।
—তুমি আমাকে কেন মিথ্যা বলেছিলে?
মায়ার চোখে এবার ভয়।
—কারণ আমি একা সিদ্ধান্ত নিইনি।
—তাহলে কে নিয়েছিল?
মায়া কিছু বলার আগেই হাসপাতালের পুরোনো ফোনটা বেজে উঠল।
একবার।
দুবার।
তিনবার।
মায়া ফোনটা তুলতেই ওপাশ থেকে একটি কণ্ঠ—
—সময় শেষ। M-2 এখন তোমার কাছে আসছে।
কল কেটে গেল।
মেহরীন দরজার দিকে তাকাল।
বাইরে ধীরে ধীরে পায়ের শব্দ এগিয়ে আসছে।
একটা।
দুইটা।
তিনটা।
তারপর দরজার ওপাশ থেকে মেহরীনের নিজের কণ্ঠ—
—মেহরীন, এবার আমাদের দুজনের একজনকেই সত্যিটা মনে রাখতে হবে।
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন