• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শেষ চিঠির ওপারে ” নাজনীন শামীম — পর্ব ১৭। দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৩২ বার পঠিত
আপডেটঃ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেষ চিঠির ওপারে “
নাজনীন শামীম
— পর্ব ১৭

সত্যের দরজা খুলতে গিয়ে মেহরীন বুঝল—
যাকে এতদিন প্রশ্ন করেছে, সেই আরিয়ানও হয়তো এই রহস্যের বন্দি।
মেহরীন ছবিটা শক্ত করে ধরে বলল—
—তাহলে পুরো সত্যিটা কী?
আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
—তোমার স্মৃতি মুছে ফেলা হয়নি, মেহরীন। তোমার স্মৃতিকে ভাগ করা হয়েছিল।
—মানে?
—তোমার জীবনের কিছু অংশ তোমার কাছেই রাখা হয়েছিল। আর কিছু অংশ… অন্য একজনের মধ্যে।
মেহরীনের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
—M-2?
আরিয়ান মাথা নেড়ে বলল—
—হ্যাঁ।
মেহরীন ধীরে বসে পড়ল।
—কিন্তু কেন?
আরিয়ান উত্তর দেওয়ার আগেই ঘরের বাতি নিভে গেল।
অন্ধকারে মায়ার কণ্ঠ শোনা গেল—
—কারণ সেদিন রাতে তুমি যা দেখেছিলে, সেটা কোনো একজন মানুষকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট ছিল।
মেহরীন চমকে উঠল।
মায়া দরজার কাছে দাঁড়িয়ে।
—তুমি এখানে?
মায়া ধীরে এগিয়ে এসে বলল—
—এবার তোমাকে সব বলতেই হবে।
—১৭ জুলাই রাতে কী হয়েছিল?
মায়া চোখ নামিয়ে বলল—
—তুমি একজনকে বাঁচাতে হাসপাতালে গিয়েছিলে।
—কাকে?
—যাকে তুমি নিজের সবচেয়ে কাছের মানুষ ভাবতে।
মেহরীনের বুক ধক করে উঠল।
—আর তারপর?
মায়া উত্তর দিল না।
বরং তার হাতে থাকা একটি পুরোনো ফাইল মেহরীনের দিকে বাড়িয়ে দিল।
ফাইলের শেষ পাতায় একটি ছবি।
মেহরীন ছবিটা দেখে জমে গেল।
ছবিতে সে নিজে।
তার পাশে মায়া।
আর একটু দূরে—
একজন মানুষ, যার মুখ কালো কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া।
ছবির নিচে লেখা—
“সাক্ষী: মেহরীন।”
মেহরীন কাঁপা গলায় বলল—
—মুখটা মুছে দেওয়া হলো কেন?
মায়া ধীরে উত্তর দিল—
—কারণ মুখটা তুমি চিনতে পারলে, তোমার সব স্মৃতি একসঙ্গে ফিরে আসবে।
ঠিক তখন মেহরীনের মাথায় হঠাৎ সেই রাতের একটি দৃশ্য ঝলকে উঠল।
একটি দরজা।
রাত ২টা ১৭।
মায়া চিৎকার করছে—
“মেহরীন, পেছনে তাকিও না!”
কিন্তু মেহরীন তাকিয়েছিল।
আর সে দেখেছিল—
নিজেকেই।
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন