পাবনার চাটমোহরে বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্তদের হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ
(এরশাদ আলম মনিঃ চাটমোহর পাবনা থেকে) পাবনা জেলার চাটমোহর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ১৫ নেতা কর্মী মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন (আগাম) জামিন পেয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ধারায় চাটমোহর থানার ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখের এফআইআর নম্বর১৭, জিআর নং১৬৪/২৬(চাটমোহর) মামলায় অভিযুক্ত ১৫ জন নেতা ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে পৃথক দুটি আগাম জামিন আবেদন করেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি কাজী মো. এজারুল হক আকন্দ ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদন দুটি শুনানি শেষে তাদের ৮ (আট) সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন (আগাম) জামিন মঞ্জুর করেন।
আগাম জামিনপ্রাপ্তরা অভিযুক্তরা হলেন, চাটমোহর পৌর সদরের মধ্য শালিখার বাসিন্দা ও ১ নং আসামি মো. হেলাল উদ্দিন,হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (অপসারিত) ও ২ নং আসামি মো. মকবুল হোসেন বাচ্চু,
নেউতিগাছা গ্রামের বাসিন্দা ও ৩ নং আসামি মো. সাহেব আলী মাষ্টার, জগতলা গ্রামের বাসিন্দা ও ৪ নং আসামি একে এম শরিফুল্লাহ সাচ্চু,
নারিকেল পাড়ার বাসিন্দা ৫ নং আসামি মো. আব্দুল ওয়াহেদ বকুল,
কাজিপাড়ার বাসিন্দা ও ৬ নং আসামি মো. হুমায়ন কবির রাজীব, অমৃতকুন্ডা গ্রামের বাসিন্দা ও ৯ নং আসামি মো সাইদুল ইসলাম, মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা ও
১৩ নং আসামি মোঃ নাসিম হোসেন,
বেজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ১৬ নং আসামি
গাজীউর রহমান (গাজীবর) এবং মহরমখালী গ্রামের বাসিন্দা ও ১৭ নং আসামি মো. রবিউল ইসলাম,
মাঝগ্রামের বাসিন্দা ও ১৯ নং আসামি মো. মাহবুল আলম,
জগতলা গ্রামের বাসিন্দা ও ২১ নং আসামি
মো.মহরম আলী, পাঁচুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ২৫ নং আসামি মো. আব্দুল মতিন মেম্বার এছাড়াও
মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা ও প্রফেসর বয়েন উদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজের প্রভাষক (২৭ নং আসামি) মোঃ আব্দুল গণি, জগতলা গ্রামের বাসিন্দা ও ৩০ নং আসামি মো. ফরিদুল ইসলাম।
হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের মধ্যে পনেরো জন ৮ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন (আগাম) জামিনে মুক্ত থাকবেন। মামলাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট আদালতে চলমান থাকবে। গত ৫ আগষ্ট উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়ন জগন্নাথপুর গ্রামের মোঃ হায়াত আলীকে গ্রেপ্তারের পর সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কোর্টে চালান করা হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ২২ শে জুলাই ২০২৬ ইং চাটমোহর থানা থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণ পুর্ব দিকে, বিট নং ১০, জেএল নং ১৫৫,সাত নং মুলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ এর মুলগ্রাম/কায়েমখোলা মোড় এর মোঃ আতার আলীর চায়ের দোকানের সামনে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সরকারকে উৎখাত সহ জীবন বিপন্ন ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর অপরাধ সংঘঠিত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি বিস্ফোরিত ককটেলের ০৪’টুকরা অংশ বিশেষ সহ চারটি বাজার করা ব্যাগে রক্ষিত অনুমান ৮/১০ কেজি ইটের খোয়া ও ১০/১২ টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করে।
মামলাটি দায়ের করেন চাটমোহর থানা এলাকার মুলগ্রাম ইউনিয়নের পুর্বটিয়ারতলা গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত মিয়াজান সরকারের ছেলে, মুলগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মজর আলী। এলাকায় অনেকেই ধরপাকর আতংকে দিনাতিপাত করছে।
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন