• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শেষ চিঠির ওপারে। রচনাঃ নাজনীন শামীম — পর্ব ২০।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৩১ বার পঠিত
আপডেটঃ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেষ চিঠির ওপারে
নাজনীন শামীম
— পর্ব ২০

একটা ছবির মানুষকে মেহরীন চিনতে পারছে না—
তবু তার জন্যই যদি সে নিজের স্মৃতি ত্যাগ করে থাকে, তবে মানুষটা তার কে ছিল?
মেহরীন ছবিটা শক্ত করে ধরে রইল।
—লোকটা কে?
M-2 কোনো উত্তর দিল না।
মায়া ধীরে বলল—
—তুমি সত্যিই মনে করতে পারছ না?
মেহরীন মাথা নাড়ল।
—না।
আরিয়ান হঠাৎ বলল—
—কারণ ওই স্মৃতিটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
মেহরীন তার দিকে তাকাল।
—তুমি সবসময় আমাকে থামাতে চাও কেন?
আরিয়ান চুপ।
M-2 এবার ছবিটা নিয়ে ছবির মাঝের মানুষটির মুখে আঙুল রাখল।
—ওকে তুমি ভালোবাসতে।
মেহরীনের বুক কেঁপে উঠল।
—অসম্ভব।
—তবু সত্যি।
—তাহলে ও কোথায়?
M-2-এর চোখে অদ্ভুত একটা বিষণ্ণতা ফুটে উঠল।
—তুমি তাকে বাঁচাতে গিয়ে একটা ভুল করেছিলে।
—কী ভুল?
M-2 উত্তর না দিয়ে পকেট থেকে সেই ০৩/M টোকেনটা বের করল।
—এই টোকেনটা শুধু হাসপাতালের কক্ষের নম্বর ছিল না।
মেহরীন তাকিয়ে রইল।
—তাহলে?
M-2 বলল—
—এটা ছিল তোমাদের চুক্তির চিহ্ন।
মেহরীনের মাথায় হঠাৎ ঝলকে উঠল—
রাত।
হাসপাতালের ০৩ নম্বর কক্ষ।
তার নিজের কণ্ঠ—
“আমার স্মৃতি নিয়ে নাও। কিন্তু ওকে বাঁচাও।”
দৃশ্যটা মিলিয়ে গেল।
মেহরীন কাঁপতে কাঁপতে দেয়ালে হাত রাখল।
—আমি… নিজেই আমার স্মৃতি দিয়েছিলাম?
মায়া চোখ নামিয়ে বলল—
—হ্যাঁ।
মেহরীন এবার শেষ প্রশ্নটা করল—
—কাকে বাঁচানোর জন্য?
কেউ উত্তর দিল না।
ঠিক তখন তার ফোনে একটি নতুন ছবি এল।
ছবিতে সেই অচেনা মানুষটি।
এবার তার মুখ স্পষ্ট।
মেহরীনের চোখ বিস্ফারিত হয়ে গেল।
কারণ মানুষটি—
আরিয়ানের মতো দেখতে।
কিন্তু ছবির তারিখ পাঁচ বছর আগের।
আর ছবির নিচে লেখা—
“একজনকে বাঁচাতে গিয়ে তুমি দুজনকে হারিয়েছিলে, মেহরীন।”
মেহরীন ধীরে আরিয়ানের দিকে তাকাল।
আরিয়ান কিছু বলল না।
শুধু খুব নিচু স্বরে বলল—
—এবার তোমার মনে পড়বে, আমি আসলে কে।
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন