• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শেষ চিঠির ওপারে “লেখিকাঃ নাজনীন শামীম — পর্ব ১৯। দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৩২ বার পঠিত
আপডেটঃ শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

“শেষ চিঠির ওপারে “
নাজনীন শামীম
— পর্ব ১৯

 

একই কণ্ঠ দরজার ওপাশে, অথচ মেহরীন জানে—ওটা তার নিজের কণ্ঠ নয়।
কারণ নিজের কণ্ঠের ভেতর যে ভয় থাকে, এই কণ্ঠে ছিল শুধু এক অদ্ভুত নিশ্চয়তা।
দরজাটা ধীরে খুলে গেল।
M-2 দাঁড়িয়ে আছে।
হুবহু মেহরীনের মুখ।
কিন্তু চোখে কোনো ভয় নেই।
মেহরীন তাকিয়ে রইল।
M-2 মৃদু হেসে বলল—
—অবশেষে দেখা হলো।
—তুমি কে?
—তুমি আমাকে কী নামে ডাকবে, সেটা তোমার ওপর।
—আমার স্মৃতি তোমার কাছে কেন?
M-2 কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
—কারণ তুমি নিজেই আমাকে দিয়েছিলে।
মেহরীন মাথা নাড়ল।
—অসম্ভব।
M-2 ধীরে একটি পুরোনো চিঠি বের করল।
—তাহলে এটা পড়ো।
মেহরীন চিঠিটা নিল।
প্রথম লাইন—
“আমি মেহরীন। কিন্তু আগামীকাল থেকে আমি আর এই জীবনটা বাঁচব না।”
তার হাত কেঁপে উঠল।
পরের লাইন—
“আমার স্মৃতির একটা অংশ এমন একজনের কাছে থাকবে, যে আমার হয়ে বাঁচবে।”
মেহরীন চোখ তুলে M-2-এর দিকে তাকাল।
—তুমি আমার হয়ে বেঁচেছ?
—হ্যাঁ।
—কতদিন?
M-2 উত্তর দিল—
—পাঁচ বছর।
ঘর নিস্তব্ধ।
মেহরীনের মনে হলো মাটিটা যেন সরে যাচ্ছে।
—তাহলে আমি এই পাঁচ বছর কোথায় ছিলাম?
M-2 এবার প্রথমবারের মতো চোখ নামাল।
—তুমি ছিলে না।
মেহরীনের বুক কেঁপে উঠল।
—মানে?
M-2 ধীরে বলল—
—তোমার শরীর ছিল। জীবন ছিল। কিন্তু তুমি ছিলে না।
আরিয়ান হঠাৎ বলল—
—মেহরীন, আর শুনো না।
M-2 তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।
—তুমি এখনও ওকে বাঁচাতে চাইছ?
মেহরীন থেমে গেল।
—কাকে?
M-2-এর মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।
সে ফিসফিস করে বলল—
—যে মানুষটা ১৭ জুলাই রাতে মারা গিয়েছিল, সে তোমার ভাই ছিল না।
মেহরীন স্তব্ধ।
—তাহলে কে?
M-2 ধীরে তার হাতে আরেকটি ছবি দিল।
ছবিতে—
মেহরীন, মায়া, আরিয়ান…
আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ।
মেহরীন ছবির মানুষটিকে চিনতে পারল না।
কিন্তু ছবির পেছনে লেখা ছিল—
“এই মানুষটির জন্যই মেহরীন নিজের স্মৃতি ত্যাগ করেছিল।”
চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন