এই মাটির ঘ্রাণে মিশে আছে এক মন্ত্র অদ্ভুত,
এখানে জন্মে নির্ভীক প্রাণ, বাংলার অকুতোভয় দূত।
শস্যের সবুজ আঁচলে ঢাকা যে শাশ্বত জননী,
তারই জঠর থেকে উঠে আসে অদম্য বীরের ধমনী।
যে মাটির পলি ছুঁয়ে বয়ে যায় মেঘনার শীতল ধারা,
সেই মাটিতেই জেগে ওঠে তেজ, লক্ষ নক্ষত্র তারা।
যখনই মেঘের ঘনঘটা নামে এই বাংলার আকাশে,
বীরের হুঙ্কার বেজে ওঠে তখন উত্তাল বাতাসে।
হাড়কাঁপানো শীতে কিংবা বৈশাখী সেই ঝড়ে,
বীরের রক্তে ভেজা ইতিহাস দেয়াল জুড়ে পড়ে।
একুশের রাজপথ থেকে একাত্তরের সেই রণভূমি,
মাটির টানেই প্রাণ দিয়েছিল— জানি মা গো, তারা তোমারই।
লোভী শকুন যখনই বাড়ায় তার নখের থাবা,
মাটির টানেই গর্জে ওঠে শান্ত ছেলের সুপ্ত লাভা।
মায়ের সম্মান বাঁচাতে যারা হাসিমুখে দেয় বুক পেতে,
নতুন ভোরের জন্ম হয়— তাদেরই রক্তমাখা ক্ষেতে।
এই মাটি শুধু ধুলোবালি নয়, এ যে প্রাণেরই স্পন্দন,
বীরের বীরত্বে টুটে যায় পরাধীনতার সব বন্ধন।
তাই তো এ দেশে যুগে যুগে সত্যের মশাল হাতে,
মাটির টানে বীরেরা জন্ম নেয়— অন্ধকারের রাতে।
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন