• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২ জন মোঃ মুক্তাদির হোসেন, বাংলাদেশ কবিতা সংসদের সাহিত্য সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কবিতা: সমাজের আয়না সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস তুমুলিয়া ইউনিয়নের ইতিহাসে প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম কবিতা:মায়ার পৃথিবী, সত্যের স্রষ্টা — একটি আত্মোপলব্ধির কবিতা রচনায়: মাওলানা মোঃ ফরিদুল ইসলাম তারিখ:১৬/১০/২০২৬ স্বী স্ত্রীর রমীমা মাদক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১, কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যেগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

জুলাই হত্যা মামলা: তদন্ত শেষে ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ। দৈনিক বাংলার কথা।

বাংলার কথা ডেস্ক / ৫৩ বার পঠিত
আপডেটঃ শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

জুলাই হত্যা মামলা: তদন্ত শেষে ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ

রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় রাকিব হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে মোট ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় ৪৯ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলায় শুরুতে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের পর পিবিআই তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।

চার্জশিটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘটিত এক ঘটনায় রাকিব হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা, সাক্ষীদের বক্তব্য, আলামত এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি, তাদের নাম বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া পরবর্তী ধাপে এগোবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
ডিজাইন ও ডেভলপমেন্ট মোঃ জহির উদ্দীন